প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। অতীতে যেভাবে মানুষ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, এবারও সেভাবেই এর উপযুক্ত জবাব দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শোভাযাত্রা উদ্বোধনের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সেখানে হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অতীতেও তারা ষড়যন্ত্র করেছে, এখনো করছে। আবারও তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করতে চায়। দেশে তথাকথিত ডামি নির্বাচনের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চায়।” তাঁর ভাষ্য, ষড়যন্ত্র করে গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
তিনি ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের উদাহরণ টেনে বলেন, ওই সময়গুলোতে মানুষ যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, এবারও সেভাবে উপযুক্ত জবাব দিতে হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে পথ তৈরি হয়েছে, তা রক্ষা করার শপথ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
দেশের ভেতর কিংবা বাইরে—যেখান থেকেই ষড়যন্ত্র হোক, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধভাবে তা মোকাবিলা করতে হবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। ৭ নভেম্বরকে তিনি জাতীয় ঐক্যের দিন এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দিন হিসেবে উল্লেখ করেন।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি উপস্থিত জনতাকে নিয়ে স্লোগান দেন, “দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, অন্য কোনো দেশ নয়—সবার আগে বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সবার।” কর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “আপনারা কি আমাদের সঙ্গে আছেন?” জবাবে নেতাকর্মীরা করতালি দিয়ে সমর্থন জানান।
প্রধানমন্ত্রী কোন পক্ষকে বা কাদের ষড়যন্ত্রকারী বলছেন, বক্তব্যের এই অংশে তিনি নির্দিষ্ট করে কারও নাম উল্লেখ করেননি।