রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬

দাউদকান্দির মারুকা ইউনিয়নে এক রাতে তিন গ্রামে ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর করে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট

শুক্রবার দিবাগত রাতে দরজা ভেঙে ঢুকে ডাকাতদল নগদ দুই লাখ টাকা ও প্রায় চার ভরি স্বর্ণ নিয়ে যায় বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মারুকা ইউনিয়নের তিন গ্রামে একই রাতে পৃথক ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।

তাঁদের ভাষ্য, ডাকাতদল কেঁচি গেট ও দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। ঘরের লোকজন বাধা দিলে তাঁদের অস্ত্রের ভয় দেখানো ও মারধর করা হয়।

মনগুর গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী জাকির হোসেনের স্ত্রী শাহানুর আক্তার জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার পর ডাকাতদল দরজা ভেঙে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে নগদ দুই লাখ টাকা ও প্রায় চার ভরি স্বর্ণ নিয়ে যায়। তাঁর দুই কান ছিঁড়ে স্বর্ণের গয়না খুলে নেওয়া হয়। তিনি চিৎকার করলে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়। ভোরে নিকটাত্মীয়রা নশ্বিপুর থেকে এসে আহত শাহানুরকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. রিয়াদ মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

একই রাতে পশ্চিম চক্রতলা গ্রামের আমির হোসেন ও ইমন হোসেনের বাড়িতে এবং পশ্চিম পালপাড়া গ্রামের মাওলানা ছুফিউল্লাহর বাড়িতেও ডাকাতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মনগুর গ্রামের এনজিও কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন তালুকদার বলেন, একই রাতে তিন গ্রামে ডাকাতি আইনশৃঙ্খলার অবনতিরই প্রমাণ। ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।