ফ্লোটিলার কর্মীরা জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে গাজার উপকূল থেকে প্রায় ১৫০ নটিক্যাল মাইল (২৭৮ কিমি) দূরে, যেটি আগে থেকেই উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। অতীতে এই জায়গাতেই বেশ কয়েকটি ফ্লোটিলা ইসরায়েলি হামলা বা বাধার মুখে পড়ে।
জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ফ্রান্সেসকা আলবানিজে ও কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো আন্তর্জাতিক মানবিক মিশনটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, ফ্লোটিলাকে কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই গন্তব্যে পৌঁছাতে দিতে হবে।
ফ্লোটিলার স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের নিরাপত্তার জন্য লাইভ ভিডিও সম্প্রচার চালু করেছেন, যাতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি আন্তর্জাতিকভাবে দৃশ্যমান থাকে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ শপথ করে বলেছে, তারা গাজাগামী এই বহরকে থামাবে। তাদের দাবি—
> “স্বেচ্ছাসেবীরা বৈধ নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছে।”
তবে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মানবিক সহায়তা বহনকারী জাহাজ আটকানো বেআইনি, কারণ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মানবিক সাহায্য পৌঁছানোকে অবরোধ দিয়ে বাধাগ্রস্ত করা যায় না।
সুমুদ ফ্লোটিলাকে ঘিরে সমুদ্রে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল এখন নজর রাখছে ইসরায়েলের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।