বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পিটি পার্টামিনা ট্রান্স কনটিনেন্টাল পাচ্ছে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব

বাংলাদেশের জ্বালানি তেল আমদানি ব্যবস্থা সহজ করতে ইন্দোনেশিয়ান কোম্পানির সাথে পাঁচ বছরের চুক্তি।

পিটি পার্টামিনা ট্রান্স কনটিনেন্টালকে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্পের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের জ্বালানি তেল আমদানি ব্যবস্থাকে আরও সহজতর ও নিরাপদ করা হবে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব আজ বুধবার বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উত্থাপন করা হচ্ছে। বর্তমানের বৈঠকের সভাপতি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং তিনি জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বৈঠকে যোগদান করবেন। এসপিএম প্রকল্পের আওতায় বঙ্গোপসাগরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো যেমন এসপিএম বয়া, পাইপলাইন ম্যানিফোল্ড এবং সম্পূর্ণ পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পের কমিশনিং কার্যক্রম সফলতার সাথে শেষ হয়েছে এবং এখন এর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি অভিজ্ঞ ঠিকাদার প্রয়োজন। এর আগে গত বছরের ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কে ঠিকাদার নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ১৯ ডিসেম্বর দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। দরপত্র জমাদানের সময়সীমা বাড়ানোর ফলে মোট ১১টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র দলিল ক্রয় করে এবং শেষ পর্যন্ত তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। তাদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার পিটি পার্টামিনা ট্রান্স কনটিনেন্টাল সর্বনিম্ন দর প্রস্তাব দেয়। প্রকল্পটি পাঁচ বছরের জন্য পরিচালিত হবে এবং মোট ব্যয় হবে প্রায় ১৫ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার, যা টাকার অংকে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। বিপিসি নিজস্ব অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে এবং আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে ৫৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ভ্যাট ও আয়করসহ এই খরচ ধরা হয়েছে। চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন পেলে শিগগিরই ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানির সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর আওতায় পুনঃদরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ উৎসাহিত করা হয়েছে।