রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে সব পরীক্ষা শেষ, অনুমোদন পেলেই শুরু হবে পাওয়ার স্টার্টআপ

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম শেষ হয়েছে; এখন অপেক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত ছাড়পত্রের।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
ছবি: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা ও কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হয়েছে। এর পর আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) ‘পাওয়ার স্টার্টআপ’ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ে তা শুরু করা যাবে কি না, সেটা নির্ভর করছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর।

কেন্দ্রটির নির্মাণ ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) সূত্র জানিয়েছে, বি-২ ধাপের সব পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ফিজিক্স টেস্টও সফল হয়েছে। বুধবার এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন পাওয়া গেলে ইউনিটটি ‘সি স্টেজে’ প্রবেশ করবে। এ ধাপেই শুরু হবে পাওয়ার স্টার্টআপ। অনুমোদন দ্রুত পাওয়া গেলে ২৫ অক্টোবরের দিকেই এ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি রয়েছে। তবে অনুমোদন পেতে সময় লাগলে শুরুর সময়ও পিছিয়ে যেতে পারে বলে প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

শুরুতে সীমিত পরিসরে উৎপাদন

প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, পাওয়ার স্টার্টআপের শুরুতে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। পরবর্তী পরীক্ষা ও কার্যক্রম সফলভাবে শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হবে। উৎপাদন সক্ষমতা ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে পৌঁছালে কেন্দ্রটি থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

সে হিসাবে চলতি বছরের শেষ দিকে প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর আশা করছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা। তবে গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়ার সময়ও নির্ভর করবে পাওয়ার স্টার্টআপের পরবর্তী প্রতিটি পরীক্ষা ও ধাপ সফলভাবে শেষ হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার ওপর।