শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬

রীতা রানীকে মারধরের অভিযোগে ফেসবুকে ছড়ানো ছবি: মিরপুরের সাত থানায় অভিযোগের তথ্য নেই, পরিচয় শনাক্ত হয়নি—ডিএমপি

পুলিশ বলছে, সত্যতা যাচাইয়ে অনুসন্ধান চলছে; যাচাই ছাড়া অভিযোগ প্রচার না করার অনুরোধ এবং তথ্য জানা থাকলে জানানোর আহ্বান।

শ্রীময়ী রীতা রানী নামের এক নারীকে মারধরের অভিযোগসংবলিত একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশ জানিয়েছে, মিরপুর বিভাগের অধীন সাতটি থানার কোথাও এ ধরনের অভিযোগ বা মামলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

ডিএমপি জানায়, ফেসবুকে প্রচারিত পোস্টে বলা হয়েছিল, মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক জনৈক ফিরোজ ওই নারীকে মারধর করেছেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস. এম. জাকির নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিটি পোস্ট করে দাবি করেন, এ ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় অভিযোগ করা হলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।

পুলিশ বলছে, ডিএমপির মিরপুর বিভাগ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিভাগের আওতাধীন সাতটি থানার কোথাও অভিযোগ বা মামলা দায়েরের তথ্য মেলেনি। শ্রীময়ী রীতা রানী নামে কোনো নারী এ বিষয়ে অভিযোগ জানাতে মিরপুর বিভাগের কোনো থানায় গিয়েছেন, এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি।

ডিএমপি আরও জানায়, ছবি ও অভিযোগের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট নারীর প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করতে অনুসন্ধান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিচয় বা ঠিকানা শনাক্ত করা যায়নি। যাচাই-বাছাই ছাড়া পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ প্রচার না করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

কেউ শ্রীময়ী রীতা রানীকে চিনলে বা তাঁর পরিচয়, অবস্থান কিংবা ঘটনা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানলে মিরপুর মডেল থানার ওসি অথবা ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারকে জানাতে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে পুলিশ। ডিএমপি বলেছে, যেকোনো অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।