পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬-এর চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভায়
দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশোধন আনা হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। অধ্যাদেশটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে।
নতুন অধ্যাদেশে সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের মাধ্যমে বেশ কিছু যুগোপযোগী পরিবর্তন করা হয়েছে। আইনে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশোধন আনা হয়েছে। এ সংশোধনের ফলে ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধান সম্প্রসারিত হবে।
উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালির আধুনিকায়ন করা হবে নতুন অধ্যাদেশের আওতায়। বিভিন্ন নির্ণায়কের ভিত্তিতে পণ্য, কার্য এবং ভৌত সেবা ক্রয়ে নির্ণায়কের অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে।
এছাড়াও সীমিত দরপত্র পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগ এবং পেশাগত অসদাচরণ সংশ্লিষ্ট বিধানগুলো স্পষ্ট করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে সরকারি ক্রয় কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন মেটাতে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থার সংস্থান রাখা হয়েছে। এটি সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। মন্ত্রিসভার এমন পদক্ষেপ ভবিষ্যতে দেশীয় শিল্পের উন্নয়ন এবং সরকারি ক্রয়ের পদ্ধতি আধুনিকায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।