সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসির বাংলা ১ম পত্রে ২৪ কবি-সাহিত্যিকের লেখা, জানাল এনসিটিবি

নতুন পাঠ্যসূচিতে ১২টি গদ্য, ১২টি কবিতা, একটি উপন্যাস ও একটি নাটক রাখা হয়েছে।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বাংলা ১ম পত্রের পাঠ্যসূচিতে কী কী পড়বেন, তা জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সম্প্রতি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২৪ জন কবি-সাহিত্যিকের সাহিত্যকর্ম অনুসরণ করতে হবে। নতুন পাঠ্যসূচিতে ১২টি করে গদ্য ও পদ্যের পাশাপাশি একটি উপন্যাস ও একটি নাটক রয়েছে।

গদ্য অংশে রয়েছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অপরিচিতা’, প্রমথ চৌধুরীর ‘সাহিত্যে খেলা’, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘অর্ধাঙ্গী’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘যৌবনের গান’ ও মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘জীবন ও বৃক্ষ’। এ ছাড়া আছে সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘গন্তব্য কাবুল’, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মাসি-পিসি’, শওকত আলীর ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’, গী দ্য মোপাসাঁর ‘নেকলেস’ এবং আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘রেইনকোট’।

কবিতা অংশে শিক্ষার্থীরা পড়বেন আলাওলের ‘ঋতু বর্ণন’, মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’, নজরুলের ‘বিদ্রোহী’, জীবনানন্দ দাশের ‘সুচেতনা’ ও জসীমউদ্‌দীনের ‘প্রতিদান’। তালিকায় আরও আছে সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘তাহারেই পড়ে মনে’ ও ‘আঠারো বছর বয়স’, ফররুখ আহমদের ‘পদ্মা’, শামসুর রাহমানের ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ এবং আল মাহমুদের ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’। উপন্যাস হিসেবে পড়ানো হবে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ এবং নাটক হিসেবে সিকান্দার আবু জাফরের ‘সিরাজ-উদ-দৌলা’।