সাজেক সড়কে চলমান অবরোধ নিয়ে সরকার পক্ষের সঙ্গে অবরোধকারীদের বৈঠকে অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেছেন, অবরোধকারী দুটি সংগঠনের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে চারটি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। বাকি একটি দাবি নিয়েও আগামী দুয়েক দিনের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।
গতকাল সোমবার রাতে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে সাজেকের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, ‘ওদের যে পাঁচটি দাবি ছিল, প্রায় চারটিতে সমঝোতা হয়েছে। রাত হয়ে যাওয়ার কারণে আমরা আলোচনা চালিয়ে যেতে পারিনি। দুয়েক দিনের মধ্যে বাকি পয়েন্টে আলোচনা করে সমাধানের দিকে যাওয়া যাবে। সহসাই রাস্তা খুলে যাবে, অবরোধ উঠে যাবে—এটাই আমাদের বিশ্বাস। ওদের সঙ্গে এখনো আলোচনা চলমান রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে এবং সরকার সব অবৈধ সশস্ত্র সংগঠনের বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।
রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, তবে একটি বিষয় এখনো অমীমাংসিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এটিও দ্রুত সমাধান হবে। ব্রিফিংয়ে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. মোর্তোজা আলী খান ও রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আবদুর রকিবসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দুই সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে বৈঠকের পরও অবরোধকারীরা অনড় অবস্থানে ছিলেন বলে খবর এসেছিল। টানা পাঁচ দিনের অবরোধে সাজেকের পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অবরোধকারী দুই সংগঠনের পাঁচ দফা দাবির বিস্তারিত তালিকা এই প্রতিবেদনের সূত্রে জানা যায়নি।