রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় খাবার না দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে রান্নাঘরে এক বাবুর্চিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যাঁকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. ফজের আলী (৭০)। তাঁর বাড়ি রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের মল্লিক পাড়া গ্রামে; তিনি আহমেদ আলীর ছেলে। ফজের আলী গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আঞ্জুমান কাদরীয়া খানকা শরীফ মাদরাসার বাবুর্চি ছিলেন। হামলায় তাঁর সহকারী সোনাভান বিবি (৭০) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি দৌলতদিয়া ইউনিয়নের বাহিরচর সিদ্দিক কাজীর পাড়া গ্রামের সাইমুদ্দিন শেখের স্ত্রী।
ওই মাদরাসার প্রত্যক্ষদর্শী ছাত্ররা জানায়, খানকা শরীফের রান্নাঘরে গিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি খাবার চান। বাবুর্চি খাবার দিতে রাজি না হলে তিনি রান্নাঘরে থাকা রান্নার লাকড়ি দিয়ে বাবুর্চি ও তাঁর সহকারীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। উপস্থিত ভক্ত ও স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফজের আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সোনাভান বিবিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারী ব্যক্তিকে আটক করেছে। এখন পর্যন্ত তাঁর নাম-ঠিকানা জানা যায়নি। তাঁকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ওসি আরও জানান, ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে।