বঙ্গোপসাগরে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে তার আগে সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। লঘুচাপ হওয়ার আগে বৃষ্টিপাতের কোনো পূর্বাভাস নেই।
ঘূর্ণিঝড় মুরাসু স্থলভাগে ওঠার পর অন্ধ্র প্রদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট স্থল লঘুচাপ আকারে অবস্থান করছিল। এটি আরও সামনে এগিয়ে শিগগিরই গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে বলে আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার দেশের সর্বত্র সার্বিক তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। আগামী ১০ নভেম্বর পর্যন্ত তাপমাত্রা এর চেয়ে বেশি না কমলেও বাড়বে না। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সূর্য ধীরে ধীরে দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে যাচ্ছে এবং সূর্যের আলো তীর্যকভাবে পড়ছে বলে তাপ কমে যেতে থাকে। বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত; সেপ্টেম্বরের পর থেকে সূর্য মকরক্রান্তি রেখার দিকে ঝুঁকতে থাকে, ফলে নভেম্বরে সূর্য বাংলাদেশ থেকে বেশ দূরে চলে যায়।
আবহাওয়াবিদদের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে সাধারণত এক থেকে দুটি লঘুচাপ নিম্নচাপে রূপ নেয়; কখনো কখনো তিনটি লঘুচাপও সৃষ্টি হয়। অতীতে নভেম্বরে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের নজিরও আছে। এর মধ্যে ১৯৭০ সালের ভোলা ঝড়ে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারান, আর ২০০৭ সালের সিডরে মৃত্যু হয় সাড়ে তিন হাজারের মতো মানুষের; কোনো কোনো তথ্যে সংখ্যাটি ছয় হাজার বলা হয়েছে।