বাংলাদেশের সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি জুলাই হত্যাকাণ্ডের অপরাধের সঙ্গে জড়িত। আমি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রাজসাক্ষী হতে চাই।”
মামুনের এই স্বীকারোক্তি ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকগণ তার বক্তব্য রেকর্ড করেন এবং পরবর্তী শুনানির জন্য তাকে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট সময়কালে সংঘটিত কথিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঁচ শতাধিক অভিযোগ ইতোমধ্যে জমা পড়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে শেখ হাসিনাসহ চারটি মামলার বিচার প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় ১৭ জন গ্রেপ্তারকৃত নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ওবায়দুল কাদেরসহ আরও ৬টি মামলারও তদন্ত প্রায় সম্পন্ন বলে জানিয়েছে ট্রাইব্যুনাল সূত্র।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মামুনের স্বীকারোক্তি তদন্তকে আরও গতিশীল করবে এবং জাতির কাছে ২০২৪ সালের ঘটনাবলীর একটি বিস্তারিত ও নিরপেক্ষ চিত্র তুলে ধরবে।